কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর ও বাজিতপুরে মাচা পদ্ধতিতে গড়ে উঠেছে মাসকোভি জাতের হাঁসের খামার
- আপডেট সময় : ১২:০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫ ৯৬৯ বার পড়া হয়েছে

দেশে ক্রমবর্ধমান আমিষের চাহিদা পূরণে হাঁসের মাংস ও ডিম একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হয়ে উঠছে। এই চাহিদা পূরণে কিশোরগঞ্জ জেলার কুলিয়ারচর ও বাজিতপুর উপজেলার গৃহিণীরা মাচা পদ্ধতিতে লাভজনক মাসকোভি জাতের হাঁসের খামার গড়ে তুলছেন। পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র কর্তৃক বাস্তবায়িত এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এর আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় আধুনিক ও টেকসই খামার ব্যবস্থাপনায় খামারিরা মাসকোভি হাঁস পালন করে পারিবারিক আমিষের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বাজারে হাঁস, ডিম ও বাচ্চা বিক্রি করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন।
খামারী সুনিয়া বলেন, “পদক্ষেপ ও পিকেএসএফ-এর সহায়তায় আমি মাসকোভি হাঁসের খামার শুরু করি। এ হাঁসের মাংসের দাম বেশি, রোগ কম হয় এবং আয়ও ভালো।”

সিনিয়র ব্যবস্থাপক ও এরিয়া ম্যানেজার মো. নাজমুল হোসাইন জানান, “মাচা পদ্ধতিতে হাঁস পালন লাভজনক। খামারিদের প্রশিক্ষণ, কারিগরি সহায়তা ও ভ্যাকসিনসহ নানা সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।”
প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সৈকত ঘোষাল বলেন, “২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে কুলিয়ারচর ও বাজিতপুরে মাসকোভি হাঁসের খামার সম্প্রসারণ এবং উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে প্রযুক্তি সরবরাহ করা হচ্ছে। একদিনের হাঁসের বাচ্চা, মাচা, খাদ্য, ভ্যাকসিন, জীবাণুনাশক ও প্রয়োজনীয় ওষুধের পাশাপাশি প্রযুক্তিভিত্তিক প্রশিক্ষণও প্রদান করা হচ্ছে।”
উল্লেখ্য, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি ও উৎপাদনশীল হওয়ায় মাসকোভি বা চীনা হাঁসের খামার দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এবং এটি খামারিদের জন্য একটি জনপ্রিয় ও লাভজনক আয়ের উৎসে পরিণত হয়েছে।












