ঢাকা ০৮:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কিশোরগঞ্জ পৌরসভায় ভবনের নকশা অনুমোদনে সিন্ডিকেটের রাজত্ব” শিরোনামের সংবাদকে বিভ্রান্তিকর দাবি 📰 হারানো বিজ্ঞপ্তি জমি বিক্রয়। অতঃপর অস্বীকার। প্রবাসীর স্ত্রী সন্তানের উপর অত্যাচার ও হুমকি। করিমগঞ্জের দরগাভিটা থেকে মাদক সহ ১ জন আটক।। সেনাবাহিনীর অভিযানে মাদক দ্রব্য সহ ২জন আটক। । সাংবাদিক তুহিন হত্যার আসামি কিশোরগঞ্জের ইটনা থেকে গ্রেফতার সাংবাদিক তুহিন হত্যার বিচারের দাবিতে কিশোরগঞ্জ প্রেসক্লাবের মানববন্ধন গাজীপুরে সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রতিবাদে ভৈরবে বিক্ষোভ সমাবেশ সাংবাদিক তুহিন হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত।। করিমগঞ্জে সেনাবাহিনির অভিযানে মাদকদ্রব্য সহ ৩ জন আটক

কিশোরগঞ্জ পৌরসভায় ভবনের নকশা অনুমোদনে সিন্ডিকেটের রাজত্ব” শিরোনামের সংবাদকে বিভ্রান্তিকর দাবি

ষ্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৭:৫১:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সম্প্রতি কয়েকটি সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত “কিশোরগঞ্জ পৌরসভায় ভবনের নকশা অনুমোদনে সিন্ডিকেটের রাজত্ব” শিরোনামের সংবাদকে ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছেন কিশোরগঞ্জ পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশ।

তাদের অভিযোগ, ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলে ব্যর্থ হয়ে একটি মহল উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পৌরসভার সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। বিশেষ করে সংবাদে সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার মোদকের নাম উল্লেখ করাকে তারা “সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও তথ্যবিহীন” বলে উল্লেখ করেন।

পৌরসভার সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, একজন সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তার দায়িত্বের সঙ্গে ভবনের নকশা অনুমোদন, প্ল্যান পাশ কিংবা কারিগরি সিদ্ধান্ত গ্রহণের কোনো সম্পর্ক নেই। ভবনের নকশা অনুমোদনের কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে প্রকৌশল শাখা ও সংশ্লিষ্ট কারিগরি বিভাগের আওতায় পরিচালিত হয়। ফলে এ ধরনের কাজে সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তাকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ করা বাস্তবতার পরিপন্থী।

পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাংশ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সংবাদ প্রকাশের আগে যথাযথ তথ্য যাচাই না করে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য গ্রহণ না করেই একপাক্ষিকভাবে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি নির্দোষ কর্মকর্তাদের সামাজিক ও পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে।

তারা আরও বলেন, কিশোরগঞ্জ পৌরসভায় চলমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। সাংবাদিকতার নৈতিকতা বজায় রেখে সত্যতা যাচাই ছাড়া এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ ভবিষ্যতে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে বলেও তারা মন্তব্য করেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহলও উদ্বেগ প্রকাশ করে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চা এবং তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

উল্লেখ যে, সংবাদের পাকুন্দিয়া সিন্ডিকেটের কথা জোড় দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু কিশোরগঞ্জ পৌরসভায় মিনিমাম ১০ জন কর্মকর্তা কর্মচারী রয়েছে যাদের মধ্যে কয়েকজন সরাসরি প্লানের সাথে জড়িত কিন্তু তাদের নাম ব্যবহার করা হয়নি কোন স্বার্থে তাও কর্মকর্তা কর্মচারীদের একটি অংশ জানতে চেয়েছে। সঞ্জয় কুমার মোদকের বাড়ি হোসেনপুর হওয়া সস্ত্বেও তাকে পাকুন্দিয়া সিন্ডিকেটের সদস্য বলে বলা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কিশোরগঞ্জ পৌরসভায় ভবনের নকশা অনুমোদনে সিন্ডিকেটের রাজত্ব” শিরোনামের সংবাদকে বিভ্রান্তিকর দাবি

আপডেট সময় : ০৭:৫১:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

সম্প্রতি কয়েকটি সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত “কিশোরগঞ্জ পৌরসভায় ভবনের নকশা অনুমোদনে সিন্ডিকেটের রাজত্ব” শিরোনামের সংবাদকে ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছেন কিশোরগঞ্জ পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশ।

তাদের অভিযোগ, ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলে ব্যর্থ হয়ে একটি মহল উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পৌরসভার সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। বিশেষ করে সংবাদে সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার মোদকের নাম উল্লেখ করাকে তারা “সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও তথ্যবিহীন” বলে উল্লেখ করেন।

পৌরসভার সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, একজন সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তার দায়িত্বের সঙ্গে ভবনের নকশা অনুমোদন, প্ল্যান পাশ কিংবা কারিগরি সিদ্ধান্ত গ্রহণের কোনো সম্পর্ক নেই। ভবনের নকশা অনুমোদনের কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে প্রকৌশল শাখা ও সংশ্লিষ্ট কারিগরি বিভাগের আওতায় পরিচালিত হয়। ফলে এ ধরনের কাজে সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তাকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ করা বাস্তবতার পরিপন্থী।

পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাংশ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সংবাদ প্রকাশের আগে যথাযথ তথ্য যাচাই না করে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য গ্রহণ না করেই একপাক্ষিকভাবে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি নির্দোষ কর্মকর্তাদের সামাজিক ও পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে।

তারা আরও বলেন, কিশোরগঞ্জ পৌরসভায় চলমান বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। সাংবাদিকতার নৈতিকতা বজায় রেখে সত্যতা যাচাই ছাড়া এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ ভবিষ্যতে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে বলেও তারা মন্তব্য করেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহলও উদ্বেগ প্রকাশ করে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চা এবং তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

উল্লেখ যে, সংবাদের পাকুন্দিয়া সিন্ডিকেটের কথা জোড় দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু কিশোরগঞ্জ পৌরসভায় মিনিমাম ১০ জন কর্মকর্তা কর্মচারী রয়েছে যাদের মধ্যে কয়েকজন সরাসরি প্লানের সাথে জড়িত কিন্তু তাদের নাম ব্যবহার করা হয়নি কোন স্বার্থে তাও কর্মকর্তা কর্মচারীদের একটি অংশ জানতে চেয়েছে। সঞ্জয় কুমার মোদকের বাড়ি হোসেনপুর হওয়া সস্ত্বেও তাকে পাকুন্দিয়া সিন্ডিকেটের সদস্য বলে বলা হয়েছে।