কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া ও হোসেনপুর উপজেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনা ও বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তিনজনের মৃত্যু
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া ও হোসেনপুর উপজেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনা ও বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) সকাল এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—পাকুন্দিয়া উপজেলার নারান্দী ইউনিয়নের আগরপাট্টা গ্রামের শিক্ষার্থী আসিবুল্লাহ সজীব (২০), উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের চর তেরটেকিয়া গ্রামের যুবক মেহেদী হাসান রাসেল (২৩) এবং হোসেনপুর উপজেলার বৃদ্ধ হাফিজ উদ্দিন (৭৪)।
বুধবার সকালে কিশোরগঞ্জ-ঢাকা সড়কের পাকুন্দিয়া উপজেলার কোষাকান্দা এলাকায় অটোরিকশার সাথে সজীবকে বহনকারী মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সজীব ও রিয়াদ গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হলে তাদের কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সজীবের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
অন্যদিকে সকালে পাকুন্দিয়া উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের চর তেরটেকিয়া গ্রামে রাসেল বাড়ির পাশের জমিতে কাজ শেষে বিশ্রাম নিতে স্থানীয় একটি মুদির দোকানে যান। সেখানে দোকানের টিনের বেড়ায় হেলান দিয়ে বসার সাথে সাথেই তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাসেলকে মৃত ঘোষণা করেন।
অপরদিকে জেলার হোসেনপুরে সকালে নিজ বাড়ির পাশের একটি রাস্তা পারা হচ্ছিলেন বৃদ্ধ হাফিজ উদ্দিন। এ সময় পেছন থেকে আসা একটি দ্রুতগামী অটোরিকশা তাকে চাপা দিলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। ঘটনার পরপরই চালক অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যায়।
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) খোকন চন্দ্র সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
হোসেনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘাতক অটোরিকশা ও এর চালককে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।